আল্লাহ তাআলা মানুষের হেদায়াতের জন্য পবিত্র কোরআন নাজিল করেছেন। কোরআনের প্রতিটি সুরা, প্রতিটি আয়াতই মুমিনের জন্য রহমত, নুর ও কল্যাণের উৎস। তবে কিছু সুরা বিশেষ সময়ে তেলাওয়াত করার জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) বিশেষভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। তন্মধ্যে অন্যতম হলো সুরা আল-কাহাফ, যা জুমার দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল।
- সবুজ বাংলাদেশ গড়তে একযোগে অর্ধশতাধিক মাদরাসায় বৃক্ষরোপণ
- * * * *
- দলে সুযোগ না পাওয়ায় ভারতীয় ক্রিকেটারের আত্মহত্যা
- * * * *
- উয়েফা ও কনকাকাফের পর এএফসির বিরোধিতা, বিপাকে ফিফা
- * * * *
- লন্ডনে শাহরুখ পুত্রের সঙ্গে কে এই তরুণী?
- * * * *
- ডেটিং অ্যাপে ধনী ব্যক্তিদের ফাঁসিয়ে চুরির অভিযোগ, গ্রেফতার অভিনেত্রী
- * * * *
জুমার দিন
জুমার দিন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সা.) বলেছেন, পৃথিবীর যতদিন সূর্য উদিত হবে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো শুক্রবার।
সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে জুমার দিনকে ইসলামে ‘সায়্যিদুল আইয়াম’ বা দিনসমূহের অধিপতি বলা হয়েছে। এই দিনের অসংখ্য ফজিলতের মধ্যে অন্যতম হলো ‘দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত’। হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী, জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দার কোনো দোয়াই মহান আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না।
জুমার দিন শ্রেষ্ঠ দিন। সপ্তাহের ঈদের দিন। ইসলামে এ দিনের মর্যাদা রয়েছে। সব দিনের মধ্যে জুমাবারকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন আল্লাহ তাআলা।
ইসলামে জুমা ও জুমাবারের রাত-দিনের গুরুত্ব অপরিসীম। মুসলমানদের জন্য জুমার দিন দুই ইদের দিনের মত।
মুসলমানদের জন্য পবিত্র জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। এই দিনটি ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের কাছে সাপ্তাহিক ঈদের দিন হিসেবে পরিচিত। পবিত্র কুরআনে সূরা জুমায় বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, যখন জুমার দিনে সালাতের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও।
জুমার দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ দিন, যাকে ‘সপ্তাহের ঈদ’ বলা হয়। এই দিনের ইবাদত যেন সর্বোত্তমভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে ইসলাম কিছু সুন্দর ও শিষ্টাচারভিত্তিক নির্দেশনা দিয়েছে।
সপ্তাহের অন্য কোনো দিনের চেয়ে জুমাবারের গুরুত্ব বেশি। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। জুমার দিনের সওয়াব ও মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতো।
জুমার দিন হচ্ছে সপ্তাহের সেরা দিন। এই দিনের অনেক ফজিলতপূর্ণ আমাল রয়েছে।
জুমার দিনের অনেক সওয়াব ও ফজিলত আছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে এসো এবং বেচাকেনা বন্ধ করো, এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝ।